দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় একটি মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে ককটেল ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গত ২৬ ডিসেম্বর হাসনাবাদ হাউজিং এলাকার ওই মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় র্যাব ঘটনাস্থল থেকে ৫-৬টি ককটেল, ১২ ড্রাম হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, ৭ ড্রাম অন্যান্য কেমিক্যাল ও স্প্লিন্টার উদ্ধার করেছে। ঘটনার মূল হোতা আলামিন বর্তমানে পলাতক, তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা রয়েছে। তবে র্যাব গতকাল নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে আলামিনের সহযোগী আহসান উল্লাহ ওরফে হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে।’
একই সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, হাদি হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত এখন শেষ পর্যায়ে এবং আশা করছি আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হবে। এই সরকারের মেয়াদেই হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে ওত পেতে থাকা সুযোগসন্ধানীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতাকর্মী জেনে বা না জেনে ফ্যাসিস্টের দোসর ও দুষ্কৃতকারীদের দলে ভিড়িয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করব—এই সুবিধাভোগীদের বিষয়ে সচেতন হোন এবং খোলস পাল্টানো অপরাধীদের থেকে দূরে থাকুন। প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিন। এতে হাদি হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা কমে আসবে।’

















