⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

বারইপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কিন্ডারগার্টেন থেকে ফেরাতে গিয়ে বিপাকে প্রধান শিক্ষক

HTML tutorial

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কিন্ডারগার্টেন থেকে ফেরাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রধান শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি হুমকির অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৩ জুলাই) উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের বারইপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক ও তার পরিবার সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন।

বিদ্যালয়, স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৩২ সালে স্থাপিত বারইপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য মরহুম শাহ আব্দুল করিম ও তার ছেলে ফজলুল হকসহ কিছু শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি মোট ৫৩ শতাংশ জমি দান করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ের দখলে থাকলেও কোনো জমিদাতাই দানকৃত জমি বিদ্যালয়ের নামে লিখে দেননি। আর এ কারনেই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির জমিদাতা সদস্য নির্বাচনে জটিলতা সৃষ্টি হয়। গত ২০০৭ সাল থেকে ফজলুল হক জমিদাতা হিসেবে ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু ২০২৪ সালে বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মাণের প্রকল্প এলে নিজাম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি জমিদাতা হিসেবে দাবি করে কাজে বাধা দেন। প্রধান শিক্ষক তার দাবির সত্যতা যাচাই করে দেখেন তার কোনো স্বত্ব নেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নিজাম উদ্দিন আদালতে মামলা দায়ের করেন এবং প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা থেকে বিরত রাখার হুমকি দেন।

অপরদিকে, বিদ্যালয়ের ১৫৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অধিকাংশই উপস্থিত থাকার সুযোগে স্কুলের সহকারী শিক্ষক ইয়াসমীন নাহার হ্যাপি মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রলোভন দিয়ে তার স্বামী ইমরান হোসেন বাবুর ‘চন্দ্র বিন্দু কিন্ডারগার্টেন’-এ ভর্তি করানোর অভিযোগ উঠে। বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী কাফিয়া জান্নাত, পঞ্চম শ্রেণির ইয়াম, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তোয়া মনিসহ আরও অনেককে প্রলোভন দেখিয়ে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি বাধা দিলে প্রধান শিক্ষক হেলেনা খাতুনএর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার শুরু হয়। গত ৮ জুলাই উপজেলা সরকারি প্রাথমিক দপ্তর থেকে দেওয়া পাঁচটি চারা গাছ বিনষ্ট হওয়ার ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক বলে জানাগেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাহিদা ইয়াসিন ও সহকারী শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধ জটিলতার কারণে চারা গাছগুলো লাগানো বিলম্বের বিষয়টি অবগত হন।

প্রধান শিক্ষক হেলেনা খাতুন বলেন, বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মাণের স্থান নিজাম উদ্দিনের চাচা, সাবেক শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। কাজ শুরু হওয়ার পর নিজাম উদ্দিনের মামলার কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং শিক্ষার্থীদের কিন্ডারগার্টেনমুখী করার প্রতিবাদ করায় সহকারী শিক্ষক হ্যাপি ও তার স্বামী বাবু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। প্রধান শিক্ষকের পরিবার নানা হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইয়াসমীন নাহার হ্যাপি বলেন, আমি কোন শিক্ষার্থীকে কিন্ডারগার্ডেন মুখী করিনি, এটি মিথ্যা অভিযোগ।
এস এস টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও চন্দ্র বিন্দু কিন্ডার গার্ডেনের পরিচালক ইমরান হাসান বাবু বলেন, এটা ষড়যন্ত্র।

HTML tutorial

Leave a Reply