বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক–কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ও ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী ৫, ১০, ১৫ এবং সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ি ভাড়া নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
গত ৮ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়।
এদিকে, ৩ দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ বুধবার রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষকরা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। এতে শাহবাগ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন চলছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের। তারা বলছেন, সচিবালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিদের ডাকার পর তাদের দাবির বিপরীতে সচিবরা নানারকম দর কষাকষি করে। তবে তারা তাদের দাবিতে অনড়। আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত সরকারকে সময় দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কেউ যোগাযোগ না করায় তারা শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন।
শহীদ মিনারে অবস্থান করা শিক্ষকেরা দেড়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগের উদ্দেশে রওনা দেন। শাহবাগ মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে শিক্ষকদের আটকে দিয়েছিল পুলিশ। পরে ব্যারিকেড ভেঙে শিক্ষকেরা আজ দুপুর ২টার দিকে শাহবাগ মোড়ে চলে আসেন। অবস্থান নিয়ে তাঁরা জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন দাবি-দাওয়া লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।
শুধু বাড়িভাড়া নয়, শিক্ষকদের দাবি– বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা দিতে হবে।
এখনো প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা। এছাড়াও পুলিশের হাতে শিক্ষক লাঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদ জানান তারা।
এর আগে, আজ সকালে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকেরা। তারা বলেন, দ্রব্যমূল্য ও চিকিৎসা সেবার খরচের ঊর্ধ্বগতির কারণে তাদের বর্তমান বেতন স্কেলে জীবিকা নির্বাহ প্রায় অসম্ভব।
৩ দফা দাবি আদায়ে ব্যর্থ্য হলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১ দফা আন্দোলনে নামার (জাতীয়করণের) ঘোষণা দেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

















