বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তদন্তে প্রশাসন ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম ফজলুল হক ভূঁইয়ার নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হেলাল উদ্দীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ৩১ আগস্ট কাউন্সিলের সভা শেষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মিলনায়তনের সব গেট বন্ধ করে প্রায় আট ঘণ্টা শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ রাখে। পরবর্তীতে ঘটে যাওয়া ভাঙচুরসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও দায়ীদের শনাক্তের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন সংস্থাপন শাখা-২ এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেন।
অন্য সদস্যরা হলেন—ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ, কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির, কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামান খান এবং পূর্ত বিভাগ-১ এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মুহাম্মদ এনামুল হক।
বিজ্ঞপ্তিতে দ্রুততম সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন বা প্রয়োজনীয় সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ আগস্ট পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি ও নিয়োগে নিশ্চয়তার দাবিতে কম্বাইন্ড ডিগ্রি চালুর আবেদন জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ৩১ আগস্ট একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় ২৫১ জন শিক্ষক সর্বসম্মতিক্রমে তিনটি আলাদা ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন।

















