⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

নিরাপত্তার দাবিতে শেবাচিমে চিকিৎসক-স্টাফদের পাল্টা বিক্ষোভ

HTML tutorial

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবিতে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের প্রধান ফটোকে অবস্থান নিয়ে তারা এ বিক্ষোভ করে। স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের দাবিতে গত ১৮ দিন ধরে করা ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পাল্টা আন্দোলন হিসেবে চিকিৎসক-স্টাফরা এ বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এতে দিনভর হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়।

মেডিসিন বিভাগের ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল শুরু করে চিকিৎসক-স্টাফরা। মিছিলটি হাসপাতাল চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রধান সড়কে যায়, সেখান থেকে ফিরে হাসপাতালের প্রধান ফটোকের গেটে সমাবেশ করে।

চিকিৎসক-স্টাফদের অভিযোগ, গত ১৮ দিন ধরে তারা নানাভাবে হেনস্থার শিকার হয়েছেন। চিকিৎসকদের ওপর শিক্ষার্থী নামধারীরা একাধিকবার হামলা চালিয়েছে।

মিড লেভেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপদস্ত করা হয়েছে। এ অবস্থায় হাসপাতালে কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ অবস্থায় চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে।’

শুক্রবারের মধ্যে পরবস্থিতি স্বাভাবিক না হলে হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ধর্মঘটে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন। তবে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ছাত্র-জনতা সেখান থেকে সরে যায়। হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডেরিয়াল জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনির উভয়পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘হাসপাতালের সকল স্টাফরা খুব ভয়ের মধ্যে কাজ করছে। আজ একটি মানববন্ধন ছিল। সেখানে থেকে ছাত্র-জনতা সরে গেছে।’

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেল্লাল হোসাইন জানান, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে আন্দোলন করা ছাত্র-জনতা ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে সেগুলো আমরা নিয়ন্ত্রণ করেছি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ করেন মহিউদ্দন রিনি। তিনি বলেন, ‘আন্দোলন ব্যাহত করতে হামলা করা হয়েছে।’ তিনি এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করেন।

উল্লেখ, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য সারাদেশের স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের দাবিতে বরিশাল ব্লকেট কর্মসূচির পাশাপাশি অনশন শুরু করে ছাত্র-জনতা। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তবে আন্দোলনকারীরা স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বরিশাল আসার আহ্বান জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন।

Share this news as a Photo Card

HTML tutorial

Leave a Reply

14 August 2025

নিরাপত্তার দাবিতে শেবাচিমে চিকিৎসক-স্টাফদের পাল্টা বিক্ষোভ

www.protidinerchithi.com