⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

শুরু হলো স্বাধীনতার মাস

HTML tutorial

শুরু হলো স্বাধীনতার মাস, মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসটি ছিলো ইতিহাস বদলানোর বাঁক। এ মাসেই নতুন মোড় নেয় এই উপমহাদেশের রাজনীতি। স্বাধীন দেশের তাগিদে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিকামী বাঙালি।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন ইয়াহিয়া খান। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও বাঙালি জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছাড়েনি পশ্চিম পাকিস্তান। প্রতিবাদে শুরু হয় হরতাল, ডাক আসে অসহযোগ আন্দোলনের।

স্বাধীনতার ডাক দেওয়ার সাথে সাথে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিকামী জনতা। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর বাংলাদেশ এখন এক ভিন্ন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। অর্থনীতির আকার বেড়েছে, বেড়েছে মাথাপিছু আয়। উন্নয়নের সূচক ঊর্ধ্বমুখী হলেও আয় বৈষম্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় চাপ বাড়িয়েছে। ভাগ্য বদল হয়নি খেটে খাওয়া মানুষের।

এ প্রসঙ্গে একজন রিকশাচালক বলেন, জিনিসপত্রের নাম সব সময় ঠিক থাকে না। সন্ত্রাসমুক্ত করা, আমাদের কাছ থেকে টাকা ছিনতাই করে নেয়। সব সময় আমাদের ওপর জুলুম করে।

এদেশকে বারবার যেতে হচ্ছে রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে। স্থিতিশীল অর্থনীতিই এখন মূল লক্ষ্য।

অর্থনীতবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘১৯৮১ সালে দেশকে খাদ্যে স্বনির্ভর বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল এবং ওই বছর ১০ হাজার টন চাল বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছিল। এই উৎপাদনের গতিটা বাড়াতে হবে। আমরা চাই ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা খাদ্যে স্বয়ম্ভর হব, পুষ্টিতে স্বয়ম্ভর হব। এর জন্য আমাদেরকে লাগাতার প্রায় বছরে গড়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ হারে খাদ্যশস্য বা কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে যেতে হবে।’

ইতিহাসবিদরা বলছেন, মুক্ত বাংলাদেশে শুধু উন্নয়ন নয়, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বহুত্ববাদকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

HTML tutorial

Leave a Reply