⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

গারো পাহাড়ের দাওধারায় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বন্য হাতির মৃত্যু

HTML tutorial

শেরপুর গাড়ো পাহাড়ে থামছে না হাতি হত্যা। জিআই তারের সাথে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে একের পর এক হাতি হত্যা বাড়ছে এই নিরিহ প্রাণীর মৃত্যুর মিছিল। ৫ জুলাই শনিবার রাত তিনটার দিকে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার দাওধারা কাটাবাড়ি এলাকায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে হাতির মৃত্যু হয়েছে। বন বিভাগ ইতোমধ্যে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বন বিভাগ সুত্রে জানা যায়, রাত তিনটায় গাড়ো পাহাড়ে সবাই যখন ঘুমে গভীর এই রাতে খাদ্যের সন্ধানে বন্যহাতির দল পাহাড় থেকে নেমে আসে পাহাড়ি গ্রাম নালিতাবাড়ির দাওধারা কাটাবাড়িতে। অবুঝ এই হাতির দলের সামনে পেতে রাখা ছিলো মৃত্যুফাঁদ বিদ্যুতায়িত জিআই তার। আর সেই জিই তারেই জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ১২-১৩ বছর বয়সের মাদী হাতিটি। পরে স্থানীয় বনবিভাগের লোকজন এসে শহীদ মানকিং এর বাড়ি ঘেরাও করা বিদ্যুৎতায়িত জিআই তার উদ্ধার করে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলী জানান, ইতিপূর্বেও এই বাড়ির লোকজনদের বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে নিষেধ করা হয়েছিলো। তা না মেনে তারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে এই হাতিটিকে হত্যা করেছে। আমরা সকালে এসে বিদ্যুৎ এর তার উদ্ধার করেছি। হাতিটির পোস্ট মর্টেম করা হচ্ছে। আর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শেরপুরের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, আমরা প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়েছি, বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে হাতিটিকে মারা হয়েছে। এবিষয়ে তদন্ত চলছে।

শনিবার ভোরে গাড়ো পাহাড়ের দাওধারায় একটি বন্যহাতি বিদ্যুতায়িত জিআই তারের জড়িয়ে মৃত্যুর পর দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শেরপুর জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। এসময় সাংবাদিকদের তিনি জানান, এই হাতি হত্যার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকার কাজ করছে। হাতির দ্বারা মানুষের কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে তার ক্ষতিপূরণও দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ বছরের হিসাবে দেখা যায়, জেলায় ৩৫টি বন্যহাতি ও একই সময়ে ৩৬ জন মানুষ মারা গেছে। এর মধ্যে গত ৬ মাসে ৫টি হাতি ও ৪জন মানুষ মারা যায়।

HTML tutorial

Leave a Reply