⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বগুড়ায় ৩ সাংবাদিককে ওয়াইআরসি’র সম্মাননা

HTML tutorial

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে বগুড়ায় ৩ জন সাংবাদিককে সম্মাননা জানিয়েছে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (ওয়াইআরসি)। রবিবার রাতে শহরের মফিজ পাগলা মোড়ের রোচাস অডিটোরিয়ামে এই আয়োজন হয়।

প্রথমবারের মতো ওয়াইআরসি’র এই আয়োজনে সম্মাননাপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা হলেন, দৈনিক বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: রেজাউল হাসান রানু, দৈনিক সমকালের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক লিমন বাশার এবং দেশ টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক সঞ্জু রায়।

আয়োজন প্রসঙ্গে সম্মাননা অর্জনকারী সাংবাদিকরা বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা সারা বছর সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে কিন্তু দিনশেষে তারা নিজেরাই অধিকাংশক্ষেত্রে বঞ্চিত থাকে। কর্মক্ষেত্রে এখনো নানাবিধ সীমাবদ্ধতা রয়েছে গণমাধ্যমকর্মীদের। তারপরেও সকল প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে একজন পেশাদার সাংবাদিক দিনরাত পরিশ্রম করে থাকেন। গণমাধ্যম একদিন প্রকৃত অর্থেই মুক্ত হবে সেই প্রত্যাশায় ব্যক্ত করেন তারা। তবে দিনশেষে এমন সম্মাননা কাজের অনুপ্রেরণা যোগায়। তাই তারা সকলেই ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে সকল সামাজিক কার্যক্রমে পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব বগুড়ার মডারেটর জেলাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উত্তরা বাইক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী আবু মোত্তালিব মানিক, এসিআই মটরস এর ইয়ামাহা মোটরসাইকেল এর ব্র্যান্ড এক্সিকিউটিভ কাজী রিফাত মাহমুদ এবং সিনিয়র টেরিটরি অফিসার সাইফুল হাসান সাইফ, টেরিটরি অফিসার রাফাত আলম খান। এসময় উত্তরা বাইক সেন্টারের সেলস এক্সিকিউটিভ ইফতেখার রহমান জয়সহ ইয়ামাহার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব বগুড়ার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজন প্রসঙ্গে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের সংশ্লিষ্টরা বলেন, ওয়াইআরসি বাইকারদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা তাদের মানবিক ও সামাজিক নানা কার্যক্রমের জন্য সারা বাংলাদেশে পরিচিতি এনে দিয়েছে। বিভিন্ন বিশেষ দিবস উদযাপনের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ও ভিক্ষুক পুনর্বাসন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ক্যাম্পেইনসহ একাধিক কার্যক্রম তারা পরিচালনা করে আসছেন। সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি তুলে ধরাসহ মানুষের সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে পেশাদার গণমাধ্যম কর্মীরা দিনরাত যে পরিশ্রম করেন তার প্রতি সম্মান জানাতেই বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে তারা এই সৃজনশীল আয়োজন করেছেন যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

HTML tutorial

Leave a Reply