⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

শেরপুরে ৭ গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন

HTML tutorial

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরের ৭ টি গ্রামে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে এ জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আগাম ঈদের প্রথম জামাত হয় নকলার চরকৈয়া গ্রামে সকাল ৯ টায়। আর বেলা ১১ টায় সবচেয়ে বড় জামাত হয় সদর উপজেলার বেতমারি ইউনিয়নের চরখারচর গ্রামে।

প্রত্যেকটি জামায়াতে দুইশ থেকে আড়াইশ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। এসব জামাতে পুরুষ মুসুল্লিদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও পর্দার ভিতরে নামাজ আদায় করেন। এসব এলাকায় ঈদের আনন্দে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়িতে বাড়িতে প্রস্তুত করা হয়েছে নানা রকম ঐতিহ্যবাহী খাবার। নামাজের পর তারা অংশ নেন প্রীতিভোজে।

স্থানীয় মুসুল্লি জানায়, পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার ওপর নির্ভর করে রোজা ও ঈদ পালন করেন তারা। শেরপুরে সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করছেন।

স্থানীয়দের মতে, বিগত কয়েক বছর ধরে শেরপুরের এসব এলাকার মানুষেরা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদ পালন করে আসছে। মুসুল্লিদের সংখ্যাও ধীর গতিতে বেড়ে চলছে বলে জানান এলাকাবাসী।

আগাম ঈদুল ফিতর পালিত গ্রামগুলো হলো- শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারি ইউনিয়নের উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয়আনীপাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল ও সদরের বামনেরচর।

নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, আগাম ঈদ জামাতের ব্যাপারে তথ্য পেয়ে আমরা বিভিন্ন জামাতের নামাজের স্থানে নাগরিকের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছি।

HTML tutorial

Leave a Reply