⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, আটকা ৫৪ হাজার কনটেইনার

HTML tutorial

চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির জেরে সংকট আরও বেড়েছে। আন্দোলন দমাতে কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থানের বিপরীতে কর্মসূচি চালিয়ে যেতে অনড় আন্দোলনাকারীরা। বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

তিনদিন ৮ ঘণ্টা করে চলে কর্মসূচি। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি। দুপুরের পর ঘোষণা আসে, এ কর্মসূচি চলবে অনির্দিষ্টকাল। শ্রমিক নেতারা বলছেন, সমস্যা সমাধানে কোনো অগ্রগতি নেই। দমননীতির কারণেই টানা আন্দোলনের ঘোষণা।

বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘বন্দরের কিছু কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা সাখাওয়াত সাহেবসহ তারা একটা সিন্ডিকেটে জড়িত হয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে এই এনসিটি বিদেশি কোম্পানিকে দিতে চায়। আমরা বন্দরের শ্রমিক কর্মচারী এটার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছি। চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো ফরেন শিপ আসা–যাওয়া করবে না। সমস্ত মুভমেন্ট আমরা বন্ধ করে দিয়েছি।

অর্থনৈতিক ক্ষতি হলেও আন্দোলনকে যৌক্তিক বলে দাবি করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। নেতাদের অভিযোগ, লুটপাটের বন্দোবস্ত করতেই এভাবে টার্মিনাল ইজারা দেয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম স্কপ আহ্বায়ক এস কে খোদা তোতন বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে, নিজস্ব অপারেটরে, নিজস্ব শ্রমিক দিয়ে এই বন্দর চলছে, সেখানে তড়িঘড়ি করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে অর্থাৎ বিদেশি কোম্পানিকে দিয়ে দেওয়ার যৌক্তিকতা নাই।’

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বন্দর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএমপি। সিএমপি উপ পুলিশ কমিশনার আমীরুল ইসলাম বলেন, ‘বন্দরের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা সচেষ্ট আছি, সতর্ক আছি। আশা করি এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটবে না।’

কর্মবিরতির কারণে এর মধ্যেই বিভিন্ন জেটি আর ডিপোতে সাড়ে ৫৪ হাজার কনটেইনার আটকা পড়েছে। বহির্নোঙরে খোলা পণ্য নিয়ে ভাসছে ১৪২টি জাহাজ।

HTML tutorial

Leave a Reply