নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা:
ঢাকার নবাবগঞ্জে যমুনা রায় (২৭) নামের এক খণ্ডকালীন বাংলা শিক্ষিকা আত্মহত্যা করেছেন। নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষিকা যমুনা আত্মহত্যা করে বলে পরিবারের সদস্যদের ধারনা। প্রতিবেশীদের দাবিও এমনটাই।
বুধবার (২০ আগস্ট) উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কল্যাণশ্রী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলে যমুনা অকৃতকার্য হন। রাতে পরিবারের সঙ্গে খাবার খেয়ে তিনি ঘুমাতে যান। বুধবার ভোরে পরিবারের লোকজন তার ঘরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
যমুনা নবাবগঞ্জ কলেজের বাংলা বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি শিকারীপাড়া টি.কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। সহপাঠীদের কাছে তিনি একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
শিকারীপাড়া টি.কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবু শফিক খন্দকার মাসুদ বলেন, আমি সংবাদ পেয়ে যমুনা রায়ের বাড়িতে যাই। এ ঘটনার পর তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি বলেন, যমুনা রাজধানী ঢাকায় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেয়। নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণে আত্মহত্যা করেছে এমটাই তার পরিবার বলছে সবাইকে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যর্থতা মানেই সব শেষ নয়। মানসিক সংকটে পড়লে পরিবার, বন্ধুবান্ধব বা সাংশ্লিষ্টদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা অত্যন্ত জরুরি ছিলো বলে মনে করেন তিনি।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি মমিনুল ইসলাম জানান, যমুনার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে যমুনা আত্মহত্যা করে বলে পরিবারের সদস্যদের ধারণা। আমরা এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

















