গাজীপুরে নির্মমভাবে খুন হওয়া সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁর মরদেহ ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ভাটিপাড়া গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শতশত মানুষ তাঁকে শেষবার দেখতে ভিড় জমায়।
বাদ মাগরিব ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
আসাদুজ্জামান তুহিন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৬ নম্বর ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের মো. হাসান জামাল ও সাবিহা খাতুনের ছেলে। তিনি দুই ছেলে সন্তানের জনক। তুহিনের মৃত্যুর খবর পরিবারের সদস্য, স্বজন ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।
গাজীপুর নগরীর চান্দনা চৌরাস্তায় দেশীয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। তুহিন এক ব্যক্তি কোপানর ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরে সন্ত্রাসীরা তার ওপরও হামলা চালায়।
হত্যার পর রাতেই নিহতের বড় ভাই মো. সেলিম ও আরেকজন বাদী হয়ে বাসন থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
তুহিনের ভাগ্নে আবু রায়হান বলেন, ‘মামা খুব ভালো মানুষ ছিলেন। যারা তাকে হত্যা করেছে, তারা মানুষ নয়, অমানুষ। আমরা তাদের ফাঁসির দাবি জানাই।’
তুহিনের কর্মস্থল প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খাইরুল আলম রফিকও দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই চাওয়া, তুহিনের হত্যাকারীদের শাস্তি যেন আর কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।’

















