মানবতাবিরোধী মামলায় মৃত্যুদণ্ড হয়েছে শেখ হাসিনার। এবার আরও দুই মামলায় শুরু হতে যাচ্ছে বিচার। এক মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর এবার শুরু হতে হচ্ছে শেখ হাসিনার গুমের দুই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার। এরই মধ্যে পলাতকদের আত্মসমর্পণ করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করে শিগগিরই শুরু হবে অভিযোগ গঠনের শুনানি। এ ছাড়া হেফাজতের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের মামলার তদন্তও প্রায় শেষ পর্যায়ে।
জুলাই আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গেল ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে মুত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই ট্রাইব্যুনালে চলছে গুরুত্বপূর্ণ আরও দুই মামলা।
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) গোপন বন্দিশালায় বছরের পর বছর নির্যাতনের অভিযোগের মামলায় শেখ হাসিনা, তারেক সিদ্দিকী, সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জন আসামি। এ ছাড়া ডিজিএফআইয়ের সেলে বন্দী রাখার অভিযোগে আরেক মামলায়ও শেখ হাসিনা আসামি। দুই মামলায় পলাতক ১৫ জনকে আত্মসমর্পণ করতে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে পত্রিকায়।
প্রসিকউটর এম এইচ তামিম জানান, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যা-নির্যাতনের মামলারও তদন্ত চলছে ট্রাইব্যুনালে। শিগগিরই দেওয়া হবে প্রতিবেদন। এতে আসামি শেখ হাসিনা, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদসহ বেশ কয়েকজন।

















