স্কুলের ভর্তি পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই পরিবর্তনের কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বছর থেকে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’
২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি বিদ্যালয়গুলোর প্রথম শ্রেণিতে পরীক্ষার পরিবর্তে লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। এরপরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতেও একই পদ্ধতি কার্যকর হয়। তবে তখন দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হতো।
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২১ সাল থেকে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়। এখনও সেই পদ্ধতি চলছে।
এর আগে রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর করা এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা পর্যালোচনার কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। এর এক দিনের মধ্যেই ভর্তি পদ্ধতিতে পরিবর্তনের কথা জানালেন।
সে সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমান ভর্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ২০২৭ সালের ভর্তি পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে। ভর্তি নিয়ে চাপ মূলত শহরাঞ্চলে বেশি, বিশেষ করে ঢাকায়। গ্রামাঞ্চলের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় সেখানে সাধারণত এ ধরনের প্রতিযোগিতা দেখা যায় না।’
শহরের স্কুলে ভর্তিচাপ সামাল দিতে আগে লটারিভিত্তিক পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, এটি খুব যৌক্তিক কোনো ব্যবস্থা নয়। ২০২৭ সালের ভর্তি পদ্ধতি চূড়ান্ত করার আগে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সেমিনার ও আলোচনা আয়োজন করে জনমত গড়ে তোলা হবে।’

















