⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকটে ফ্লোরে চলছে রোগীদের চিকিৎসাঃ ভোগান্তি চরমে 

HTML tutorial

৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকটে ফ্লোরে চলছে রোগীদের চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক ও নার্স সঙ্কটে রোগীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারন করেছে। হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন দক্ষ চিকিৎসক এবং নার্সদের আন্তরিক সেবায় দিন দিন স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হলেও রোগীর সংখ্যা বাড়ছে দ্বিগুন। সেই অনুপাতে বাড়েনি শয্যা সংখ্যা। ফলে প্রতিদিনই রোগীদের চাপে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দা, ফ্লোর এমনকি সিঁড়ির ধাপেও ঠাঁই নিচ্ছেন রোগীরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার পুরুষ ও মহিলা রোগীদের জন্য ৫০ শয্যা থাকলেও ব্যবহার উপযোগী রয়েছে ৩৫/৩৬টি। তার মধ্যে আবার নেই বালিশ। কয়েকটি ফ্যান নষ্ট থাকায় প্রচন্ড গরমে রোগীদের ভোগান্তি বেড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫শতাধিক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। গুরুতর অসুস্থ্যদের ভর্তি করলে শয্যা সঙ্কটে তাদের বারান্দাসহ বিভিন্ন করিডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়। নার্স সঙ্কটের কারনে রোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত তাদের সাথে উত্তপ্ত তর্কবিতর্ক লেগেই থাকে।

এ ছাড়াও হাসপাতালে রয়েছে জনবল সঙ্কট। ক্লিনার ও অন্যান্য সহকারী কর্মচারীর অভাবে চিকিৎসা সেবা চরম ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে মাত্র কয়েকজন নার্স ও আয়া দিয়ে এত সংখ্যক রোগীকে সেবা দেওয়া কষ্টকর বিষয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংখ্যা কমপক্ষে ১০০, প্রয়োজনীয় সংখ্যক নার্স, আয়া ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার দাবী রোগীর স্বজন এবং এলাকাবাসীর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) ডাঃ রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছি। কিন্তু শয্যার সংখ্যা অপ্রতুল। প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৩০ জনকে বারান্দায় রাখতে হচ্ছে। শয্যা সংখ্যা বাড়ানো গেলে রোগীদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে বলে তিনি মনে করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ডাঃদেবাশীষ রাজবংশী জানান, “আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে হাসপাতালটির পরিসর ও জনবল বৃদ্ধির জন্য একাধিকবার আবেদন করেছি। আশা করছি দ্রুতই সিদ্ধান্ত আসবে।”

HTML tutorial

Leave a Reply