⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

শেরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত, আহত ৬০

HTML tutorial

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল থেকেই বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন। পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল উপস্থিত হন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।

এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক মঞ্চের সামনের একই সারিতে চেয়ারে বসতে না পারায় হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হন। একই সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতা অনুষ্ঠানস্থলে থাকা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সংঘর্ষের ঘটনার পর সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে গুরুতর অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত পৌনে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

HTML tutorial

Leave a Reply