⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনও’র উদ্যোগে শেওলা ও পরগাছামুক্ত হল বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভ

HTML tutorial

শেরপুর-ঝিনাইগাতী সড়ক ঘেঁষা ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবন থেকে পশ্চিমে প্রায় ৫০০ মিটার কাঁচা রাস্তা পেরোলেই ঘাগড়া কুনাপাড়া এলাকায় বাঁশঝাড়ের নিচে পাকা স্থাপনার চারপাশে শহীদদের গণকবর ও বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে শেওলা ও পরগাছামুক্ত করা হয়েছে।

এটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে থাকায় বধ্যভূমির ‘স্মৃতিস্তম্ভ’তে জন্মে ছিলো শেওলা এবং অসংখ্য পরগাছা।

এ বিষয় নিয়ে গত রবিবার (৭ ডিসেম্বর) জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেলের নির্দেশে দ্রুত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাধ্যমে বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে আঁকড়ে থাকা শেওলা ও পরগাছামুক্ত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ শেষে পরিদর্শন করেছেন ইউএনও। এসময় উপস্থিত ছিলেন হাতিবান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পরিচ্ছন্নতার পর বধ্যভূমিটি এখন আগের তুলনায় আরও পরিচ্ছন্ন ও দর্শনীয় যা ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখতে নতুন প্রাণ যোগ করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে ঝিনাইগাতীর বধ্যভূমিতে নির্মিত ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ স্মৃতিস্তম্ভে আঁকড়ে ধরেছে শেওলা আর পরগাছা

এদিকে ইউএনও’র প্রত্যক্ষ তত্ত্ববধানে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভ অবশেষে শেওলা ও পরগাছামুক্ত হয়ে নতুন রূপে ফিরে এসেছে। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকরা ইউএনও’র এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের দ্রুত পদক্ষেপ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, বধ্যভূমির মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, দ্রুত সময়ের মধ্যে বধ্যভূমিটি সংরক্ষণের জন্য সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

HTML tutorial

Leave a Reply