ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ রহমানের মরদেহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেওয়া হচ্ছে। সেখান তার জানাযা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে কুমিল্লার হোমনায়।
রোববার সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার আরমানিটোলার একটি ভবনের সিঁড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় জুবায়েদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছাত্রদলের অভিযোগ, তাকে হত্যা করা হয়েছে। রাতে তার মরদেহ রাখা হয়েছিল মিটফোর্ড হাসপাতালের হিমঘরে।
সোমবার দুপুর ১টার পর মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেওয়া হবে।
জবির জুবায়েদ হত্যা: রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছে ছাত্রদলজবির জুবায়েদ হত্যা: রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দেখছে ছাত্রদল
এদিকে, জুবায়েদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আগামী দুইদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ২২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করা হবে এবং শুধু শোকর্যালি আয়োজন করা হবে।
রোববার সন্ধ্যায় টিউশনি করাতে গিয়ে জুবায়েদ নিখোঁজ হন। যে ভবন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেখানেই তিনি এক ছাত্রীকে পড়াতেন।
জুবায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি এবং ছাত্রদলের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।

















