⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

৬১ বছরে তারেক রহমান: নির্বাসনের ১৭ বছর পেরিয়ে ফিরে আসার প্রতীক্ষা

HTML tutorial

৬১তম জন্মদিনে পা দিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত থাকলেও দলীয় সিদ্ধান্ত, কৌশলগত পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক নির্দেশনায় এখনও তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় চালিকাশক্তি। সম্প্রতি স্বৈরশাসনের অবসান ও দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিবেশ তৈরি হলে শিগগিরই দেশে ফিরবেন—এমন বার্তা দিয়ে তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছেন। এ ঘোষণাকে ঘিরে বিএনপি নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশাবাদ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশে ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক আন্দোলনের চাপে ৪৩ বছর বয়সে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তারেক রহমান। সেই থেকে ধীরে ধীরে জমতে থাকে দীর্ঘ নির্বাসনের বছর। ১৭ বছরের এই অধ্যায় ছিল সংগ্রাম, রাজনৈতিক চাপ ও ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের এক দীর্ঘ পথচলা।

নির্বাসনের সময় ব্যক্তিগত জীবনেও তাঁর ওপর নেমে আসে কঠিন দুঃসময়। ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন ও তাঁর মা খালেদা জিয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বহুবার কারাবাস, অসুস্থতা ও চিকিৎসা সংকটের মুখোমুখি হন। তা সত্ত্বেও দূরবর্তী অবস্থান থেকেও তারেক রহমান সংগঠন ধরে রাখার কাজে মনোনিবেশ করেন, যা দলীয় নেতাদের মতে তাঁর ধৈর্য ও স্থিতধী নেতৃত্বের প্রমাণ।

২০০৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকলেও বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নীতিনির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ক্রমেই শক্তিশালী হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের দাবি, তিনি বিএনপির কাঠামো আধুনিকায়নের জন্য যে পরির্বতনগুলো এনেছেন, তা অনেক ক্ষেত্রেই ‘বৈপ্লবিক’।

সংগঠন পুনর্গঠন, কর্মসূচিতে নতুন কৌশল, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান—সবকিছুতেই তাঁর পরিকল্পনার ছাপ স্পষ্ট। সাম্প্রতিক ভিডিও বার্তা এবং বক্তব্যও জনমনে সাড়া ফেলেছে, যা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

স্বৈরশাসনের অবসান ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পরিবেশ তৈরি হলে দেশে ফেরার ইচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান। তাঁর এই বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

বিএনপি নেতা–কর্মীরা বিশ্বাস করেন, তাঁর প্রত্যাবর্তন দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর দলকে নতুন করে সংগঠিত করবে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করবে। তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায়—সবাই মনে করছেন, তাঁর নেতৃত্বে দেশে ফিরবে গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার নতুন অধ্যায়।

৬১ বছর বয়সে পদার্পণের এই মুহূর্তে দলের প্রত্যাশা একটাই—নির্বাসনের কঠিন বছর পেরিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিএনপি নতুন শক্তি, আত্মবিশ্বাস ও লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।

HTML tutorial

Leave a Reply