বিয়ের আট মাস পর লক্ষ্মীপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে মো. রুবেল নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই যুবকের স্ত্রী, শ্বাশুড়িসহ তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম চরমনসা গ্রামের মহব্বত আলী মুন্সি বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রুবেল ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামের আশার বাড়ির বেল্লাল মিয়ার ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রিয়া আক্তারের সঙ্গে রুবেলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নানান বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝামেলা চলে আসছিল। ঘটনার দিন রুবেল রাতে নিজের বাড়িতেই অবস্থান করছিল। হঠাৎ শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোনকল আসলে, রুবেলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর রুবেল বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ির দিকে যান। ভোরে বাড়ির লোকজন গাছের সঙ্গে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখে চিৎকার করে। পরে পুলিশ খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদরের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর থেকে তার শাশুড়িসহ পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, গতকাল রাতে রুবেলকে ফোনকলে ডেকে নিয়ে যায় তাঁর স্ত্রী ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরপর আজ তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। এইটা পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি পরিবারের।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদরের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে তাঁর শাশুড়িসহ পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

















