⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

শেরপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

HTML tutorial

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ইত্তেফাকের উপজেলা সংবাদদাতা মো. খোরশেদ আলমের ওপর হামলার ঘটনায় এজাহারভুক্ত দুই ও অজ্ঞানামা আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে তাদের শেরপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন গোমড়া এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. কোরবান আলী ও মো. আব্দুস ছামাদ। ১৬ আগষ্ট শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে শনিবার রাতে হামলায় আহত দৈনিক ইত্তেফাকের উপজেলা সংবাদদাতার ছোট ভাই মো. হুমায়ুন খান বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন। এতে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারী একাধিক মামলার আসামী মো. রাসেল মিয়াসহ ৬জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় ৬ থেকে ৭ জনকে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামী রাসেল আন্ত:জেলা চোরাকারবারী ও মাদকচক্রের সক্রিয় সদস্য। নিজ এলাকায় তার নেতৃত্বে গড়ে তুলেছে রাসেল বাহিনী। সম্প্রতি রাসেলের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক কারবার বৃদ্ধি পাওয়ার পরও স্থানীয় লোকজন তাহার ভয়ে মুখ খোলতে পারেনা। এমন সংবাদ পেয়ে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে দৈনিক ইত্তেফাকসহ একাধিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করে সাংবাদিক মো. খোরশেদ আলম। এরপর থেকেই নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে। হুমকির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার বার জানিয়েছেন তিনি। এর জের ধরে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে সাংবাদিক খোরশেদ আলম সন্ধ্যাকুড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাসেল ও তার সহযোগীরা তার উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শনিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছনে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুই ও অজ্ঞাতনামা আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ রবিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

HTML tutorial

Leave a Reply