⁜ অর্থ-বাণিজ্য

⁜ প্রযুক্তি

⁜ বিনোদন

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

HTML tutorial

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে মহারশি নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে নদীর পানি উপচে ঝিনাইগাতী সদর বাজারসহ আশেপাশের এলাকায় ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। এতে বাজারের অনেক দোকানপাটে পানি প্রবেশ করায় দুর্ভোগে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। সেইসঙ্গে ঢলের পানি প্রবল বেগে নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করছে।

আকস্মিক এই ঢলের উপজেলার অনেক রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। তবে ঢলের পানির কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি-না তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শহর রক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পানি সামান্য বাড়লেই প্লাবিত হয় ঝিনাইগাতী সদর বাজারের সড়ক, দোকানপাট এবং নিম্নাঞ্চল। এবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাজারের বিভিন্নস্থানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানে পানি ঢুকে যাওয়ায় মালামাল রক্ষায় হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক স্থানে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলেও দেখা দিয়েছে ভোগান্তি।

এদিকে, নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর বাঁতকুচি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা নাদরুজ্জামান ইমন বলেন, সকালে মহারশি নদীর দক্ষিণাংশের তীর উপচে প্রবল বেগে ঢলের পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা অনেকটাই কমে গেছে। তবে ঢলের পানিতে মহারাশি বাঁধের যে অংশের কাজ চলমান ছিল তার কোনও ক্ষতি হয়নি বলে জানান তিনি।

শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, আজ শেরপুর পয়েন্টে ২৪ দশমিক ৫০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার ও নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, সকালের দিকে পাহাড়ি ঢলের চাপ বেশি থাকলেও এখন কমতে শুরু করেছে।
ঝিনাইগাতী বাজারের ড্রেনের সঙ্গে মহারশি নদীর সংযোগ থাকার কারণে সকালে পানি ওঠে। এখন তা কমতে শুরু করেছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, তবে ঢলের পানির চাপে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি ইউএনও।

এ বিষয়ে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে বলেন, মহারশি নদীতে স্থায়ী বাঁধের জন্য জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছি। আশা করছি, খুব দ্রুতই টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে পারব। যদি, বাঁধ নির্মাণ করতে পারি, তাহলে মানুষের যে দুর্ভোগ, সেটি অনেক আংশেই কমে যাবে।

HTML tutorial

Leave a Reply