শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নে চরম অনাহার ও অর্ধাহারে দিন কাটানো এক হতদরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব হযরত আলী।
দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নিজেও গুরুতর অসুস্থ। এছাড়া এই অভাবের সংসারে রয়েছে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তান।
সম্প্রতি পরিবারের একমাত্র নারী সদস্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে পরিবারটির ওপর নেমে আসে ঘোর অমানিশা। চরম অসহায়ত্ব ও মানসিক ট্রমার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছিল তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিবারটির এই হৃদয়বিদারক ও দুর্বিষহ জীবনযাপনের খবর ছড়িয়ে পড়লে তা বিএনপি নেতা আলহাজ্ব হযরত আলীর নজরে আসে।
খবর পেয়েই কালক্ষেপণ না করে ১৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতের অন্ধকারেই ছুটে যান সেই অসহায় পরিবারের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে তিনি কেবল সহমর্মিতাই প্রকাশ করেননি, বরং নিজ হাতে অসুস্থ গৃহকর্তাকে খাবার খাইয়ে দেন।
শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হযরত আলী বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা নগদ অর্থসহায়তা এবং তিন মাসের খাবার দিয়ে আসেন। একই সঙ্গে ওই পরিবারের পুরো দায়িত্ব নেন তিনি। তিনি এ সময় তার বাড়ি থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গিয়ে নিজ হাতে বৃদ্ধ দম্পতিকে খাইয়ে দেন। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি তিনি এই পরিবারের যাবতীয় জরুরি খরচের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া ভবিষ্যতে অসুস্থ গৃহকর্তা ও প্রতিবন্ধী সন্তানের ওষুধ ও পুষ্টিকর খাবারের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন।
শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আলহাজ্ব হযরত আলীর এমন তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদী মানবিক পদক্ষেপে স্থানীয় কামারিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। পাশাপাশি তার এমন উদ্যোগ সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তিদেরও দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

















