স্টাফ রিপোর্টার:
শেরপুরে দুই দিনে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডিবি ও শেরপুর সদর থানা পুলিশের হাতে আটক কার্যক্রম নিষিদ্ধ শহর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজন সরকার রাজু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ খোরশেদ আলম ইয়াকুব এবং যুবলীগ নেতা আব্দুল বাতেনকে রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
৪ নভেম্বর বুধবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে প্রত্যেককে একটি নাশকতা চেষ্টা মামলায় সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানি শেষে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইয়াকুবকে দুই দিন এবং আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা যথাক্রমে রাজন সরকার রাজু এবং আব্দুল বাতেনকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এছাড়া আরো দুইটি মামলার রিমান্ড শুনানি পরবর্তী দিন ধার্য করা হবে বলে সদর থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছেন।
সদর থানা পুলিশ জানায়, খোরশেদ আলম ইয়াকুব এবং আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে ২০২৪ এর ছাত্র হত্যা মামলাসহ যথাক্রমে ছয়টি ও পাঁচটি করে, এছাড়া রাজন সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতা চেষ্টাসহ পৃথক দুইটি মামলা রয়েছে বলে সদর থানা পুলিশ জানায়।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ২৪ এর ছাত্র হত্যা, নাশকতা চেষ্টা ও সন্ত্রাসী হামলা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। একটি মামলায় একজনকে দুই দিনের এবং বাকি দুইজনকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া আরো ২টি মামলায় রিমান্ড শুনানি বাকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থেকে ডিবি পুলিশ ইয়াকুব ও বাতেনকে এবং শেরপুর শহরের নায়ানিবাজার বাসা থেকে রাজন সরকারকে গ্রেফতার করে সদর থানা পুলিশ।

















