একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার বলে দাবি করেছে তার পরিবার। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে নিজ বাসভবনে করা এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
এ সময় হুম্মাম দাবি করেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হয়নি। তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে বিদেশ থেকে চারজন আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক গোপন বার্তায় ভিসা না দিয়ে তাদের দেশে আসতে বাধা দেয়।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘এটারই একটা ম্যাসেজ, আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। এই ম্যাসেজে বলা আছে, চারজনের নাম উল্লেখ করে বলা আছে যে কোনোভাবেই তাদের যেন ভিসা না দেওয়া হয়। আমার বাবাকে তারা কোনোভাবেই ফেয়ার জাস্টিসের কাছেও আনতে পারলো না। আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। এটা একটা জুডিশিয়াল মার্ডার ছিল। এটার সাথে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের রেজিমের সরকার সরাসরি জড়িত ছিল।’
আগামী রোববার এ সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
হুম্মাম জানান, সেই চার সাক্ষী ১৯৭১ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সহপাঠী ছিলেন।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আক্রোশের শিকার দাবি করে তিনি জানান, তার গুম ও খুনের মাধ্যমে টিকে থাকার নির্মমতার শিকার হয়েছিলেন সাকা চৌধুরী। সুবিচার ব্যাহত করার অকাট্য প্রমাণসহ আবার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

















